Posts

আয়াতুল কুরসী, সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াত।

Image
  আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা, আমরা আয়তুল কুরসি হিসেবে যেটা জানি সেটা আসলে সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াত। আয়াতুল কুরসী ফজিলত নিশ্চয়ই আমরা সকলেই জানি, আমি এখন আয়তুল কুরছির কিছু ফজিলত উল্লেখ করবোঃ  এই মোবারক আয়াত দিনে  বা  রাতে বারবার পড়ার নির্দেশনা হাদীস শরীফে আছে। মুমিনের কর্তব্য ,  এই পবিত্র আয়াতকে প্রতিদিনের অযীফা বানিয়ে নেওয়া। পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর আয়াতুল কুরসী পড়া। হযরত আবু উমামা রা. থেকে বর্ণিত ,  আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন । مَنْ قَرَأَ آيَةَ الْكُرْسِيِّ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ مَكْتُوبَةٍ لَمْ يَمْنَعْهُ مِنْ دُخُولِ الْجَنّةِ إِلّا أَنْ يَمُوتَ . প্রতি ফরয নামাযের পর যে ব্যক্তি আয়াতুল™ কুরসী পড়বে তার জান্নাতে যাওয়ার পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।  © আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ ,  নাসায়ী ,  হাদীস ১০০ এই হাদীস শরীফ ™থেকে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর আয়াতুল কুরসী পড়ার নির্দেশনা পাওয়া  গেল।™ প্রিয় ভাইয়েরা এছাড়াও আয়াতুল কুরসির নানা রকম ফজিলত আছে।আপ নাদের সামনে আয়াতুল কু...

সূরা আল ইমরানের বিস্ময় করা একটি আয়াত।

Image
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় ভাইয়েরা সবার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ থাকবে আয়াতটি ভালোভাবে দেখার জন্য। আসলে এটি দ্বারা কাদেরকে বোঝানো হয়েছে আমরা সবাই বুঝতে পারব।  সূরা আল ইমরান (آل عمران), আয়াত: ১৯ إِنَّ ٱلدِّينَ عِندَ ٱللَّهِ ٱلْإِسْلَٰمُ وَمَا ٱخْتَلَفَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلْعِلْمُ بَغْيًۢا بَيْنَهُمْ وَمَن يَكْفُرْ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ فَإِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلْحِسَابِ উচ্চারণঃ ইন্নাদ্দীনা ‘ইনদাল্লা-হিল ইছলা-মু ওয়ামাখতালাফাল্লাযীনা ঊতুল কিতা-বা ইল্লা-মিম বা‘দি মা-জাআহুমুল ‘ইলমুবাগইয়াম বাইনাহুম ওয়ামাইঁ ইয়াকফুর বিআ-য়া-তিল্লা-হি ফাইন্নাল্লা-হা ছারী‘উল হিছা-ব। অর্থঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত।

নামাযে ইকামতের সহীহ হাদিস সমূহ।

Image
 আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় ভাইয়েরা এবং বোনেরা, আমাদের দেশের প্রচলিত যে ইকামত এই ইকামতে থেকেও অনেক সহি হাদিস আছে যেগুলো আমরা অনুসরণ করি না,আমাদের উচিত সহিহ হাদিসের উপর আমল করা। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমরা যেন তার মতো করেই নামাজ পড়ি তিনি নামাজকে ভাগ করেননি ইসলামকে ভাগ করেননি অথচ আমরা ইসলামকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে নিয়েছি। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ তিনি ইসলামকে পরিপূর্ণ করে রেখে গেছেন। আমাদের উচিত তার দেখানো নিয়মকেই প্রাধান্য দেওয়া। আমরা নামাজের শুরুতে যেই ইকামত দিয়ে থাকি সেই ইকামত সম্পর্কে আমাদের নবী করীম সাঃ থেকে যে যে হাদিসগুলো আমরা পেয়ে থাকি সে হাদিসগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হলোঃ ৬০৫ বুখারী আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.)-কে আযানের শব্দ দু’ দু’বার এবং قَدْقَامَتِ الصَّلاَةُ ব্যতীত ইক্বামাত(ইকামত/একামত)র শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। (৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৮) ৬০৬ বুখারী. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাঁরা সালা...

নামাযে সিজদাহ করার সহীহ্ নিয়ম।

Image
  আসসালামুআলাইকুম, প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ) যেভাবে আমাদের নামায পড়তে বলেছেন এবং পড়েছেন আমাদের উচিৎ সেভাবেই নামায আদায় করা।  আমাদের নবী করিম (সাঃ)  নামাযে সিজদাহ করার বিষয়ে যে একটি বিষয় সতর্ক করেছেন সে হাদিসটি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করলাম। হাদিসটি আবু দাউদ শরীফ থেকে সংকলিতঃ  আবু দাউদ ৮৪০. সাঈদ ইবনু মানসূর ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা সিজদা করার সময় উটের ন্যায় বসবে না এবং সিজদায় যেতে মাটিতে হাঁটু রাখার পূর্বে হাত রাখবে। সিজদাহ করার সময় উঠের ন্যায় না বসার নসিয়ত করেছেন আমাদের নবী (সাঃ) অথচ আমাদের দেশের হানাফী মাজহাবের অধিকাংশ নামাযি উঠের ন্যায় বসেই নামায আদায় করে। আসুন আমরা এই হাদিসটি অনুস্মরন করে নামায আদায় করি। আল্লাহ হাফেজ।

নামাযে শাহাদাৎ আঙুল ইশারার হাদিস।

Image
 প্রিয় ভাইয়েরা, নামাযে শাহাদাৎ আঙুল ইশারার বেশ কিছু হাদিস বিভিন্ন সহীহ হাদিস গ্রন্থে উল্লেখিত আছে। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) নামাযে তাশাহুদ বৈঠকে শাহাদাৎ আঙুল ইশারা করতেন। তাই আসুন নবী (সাঃ) এই সুন্নতকে ঠিকিয়ে রাখতে আমরাও এর সঠিক নিয়ম জেনে সঠিক ভাবে আমল করি। নবী মহাম্মদ সাঃ আমাদের জন্য ইসলামকে পরিস্কার করে রেখে গেছে, আমাদের হাদিস গ্রন্থ, পবিত্র কোরআন মাজিদ রেখে গেছেন,  আমাদের সঠিক, সহীহ আমলেন জন্য এই মাধ্যমেই যথেষ্ট।  ডাঃ জাকির নায়েক একটি কথা বলেছেন, ধর্মকে কোন ব্যাক্তি দিয়ে নয়, কোরআন এবং হাদিসকে অনুসরন করতে। শাহাদাৎ আঙুল ইশারার হাদিস সমূহ নিম্মে উল্লেখ করা হলোঃ আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের মধ্যে "তাশাহহুদ’ পড়তে যখন বসতেন তখন বাঁ হাতটি বা হাঁটুর উপর এবং ডান হাত ডান হাঁটুর উপর রাখতেন। আর (হাতের তালু ও আঙ্গুলসমূহ গুটিয়ে আরবী) তিপ্পান্ন সংখ্যার মতো করে শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৮৬, ইসলামীক সেন্টার ১১৯৮) তাশাহ্হুদ পড়া থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত ক...

নামাযে রফয়ে ইয়াদাইন করার সহীহ্ হাদিস সমূহ।

Image
  আসসালামুআলাইকুম, প্রিয় ভাই আমরা যারা ইসলামকে আরো বেশি জানতে, আরো বেশি বুঝতে আগ্রহী তাদের জন্যই এই বার্তা। আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ) নামাযে রফয়ে ইয়াদাইন অর্থাৎ নামাযে হাত উত্তলন। রুকুতে যাওয়া,রুকু থেকে উঠা,দ্বিতীয় রাকাত নামায শেষে উঠেও নবী (সাঃ) রফয়ে ইয়াদাইন করতেন তার স্পষ্ট হাদিস বুখারী শরীফ সহ মুসলিম শরীফ, মেসকাত শরীফে বর্নিত আছে।  সহীহ্ শুদ্ধ হাদিস থাকা সত্বেও আমাদের দেশের অনেক হানাফী মাজহাবের ভাইয়েরা এসব হাদিসকে তুচ্ছ তাচ্ছল্য করে। আল্লাহ সেসকল ভাইদের সঠিক বুঝদান করুক। আমরা যারা প্রকৃত মুসলিম আমরা অবশ্যই নবী মুহাম্মদ সাঃ এর দেখানো নিয়মেই আল্লাহ সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করবো। হাজারও মাজহাবের অশুদ্ধ মতের চেয়ে নবী করিম সাঃ এর একটি হাদিস আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ন। নবী সাঃ এর সুন্নতকে বাচিয়ে রাখা আমাদের উপর ইমানী দায়িত্ব। প্রিয় ভাইয়েরা, রফয়ে ইয়াদাইন সম্পর্কিত হাদিস সমূহ নিম্মে উল্লেখ করা হলো। অবশ্যই আপনারা হাদিস গুলো আপনাদের সংরক্ষনে রাখবেন বিদাআত করে এমন কিছু মুসলিমদের সঠিক সময় জবাব দেওয়ার জন্য। সালেম ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ছাঃ) যখন ছালাত আরম...

নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠের পর উচ্চস্বরে আমিন বলার সহীহ্ হাদিস।

Image
 আসসালামুআলাইকুম, সম্মানিত,প্রিয় ভাইয়েরা। আমাদেরর বাংলাদেশে প্রচলিত বেশির ভাগ মসজিদের উচ্চস্বরে আমিন বলা হয়না। যেখানে ইমাম নিজেই এ ব্যাপারে উদাসিন সেখানে মুসল্লিরা নিরুপায়। অথচ রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে উচ্চস্বরে আমিন বলার সহীহ্ হাদিস রয়েছে। মাযহাবের নাম করে আমাদের দেশে সুন্নতের নানা ভাবে খেলাফ হচ্ছে, আসুন আমরা নামায সহ অন্যন্য নিয়ম নীতির উপর সহীহ্ হাদিস এবং পবিত্র কিতাব কোরআন মাজিদকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেই,  উচ্চস্বরে আমিন বলার যেসকল হাদিস পবিত্র হাদিস প্রন্থগুলোতে বর্নিত আছে আপনাদের মাঝে তা উপস্থাপন করলামঃ ওয়ায়েল ইবনু হুজর (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন ‘গাইরিল মাগযূবি আলাইহিম ওয়ালায য-ল্লীন’ বলতেন, তখন তিনি আমীন বলতেন। তিনি আমীনের আওয়াযটা জোরে করতেন। আবুদাঊদ হা/৯৩২, ১/১৩৪-১৩৫ পৃঃ।  ওয়ায়েল ইবনু হুজর (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন ‘গাইরিল মাগযূবি আলাইহিম ওয়ালায য-ল্লীন’ বলতেন তখন তাকে আমীন বলতে শুনেছি। তিনি আমীনের আওয়ায জোরে করতেন। তিরমিযী হা/২৪৮, ১/৫৭-৫৮ পৃঃ আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা ‘সালাম’ ও ‘আমীন’ বলার কারণে ই-হুদীরা তোমাদের সাথে সবচেয়ে বেশী হিং-সা করে’।...

নামাযে সানা পড়ার নিয়ম।

Image
 প্রত্যেক নামাজের শুরুতে সানা পড়া সুন্নত। এটি বাধ্যতামূলক নয়। চাইলে পড়তে পারেন, না পড়লেও আপনার কোনো গুনাহ হবে না। শুধু একটা সুন্নত আদায় হবে না। তবে আমি পরামর্শ দেব যে, সানা পড়বেন। সুন্নত বলে খাটো করে দেখবেন না, সুন্নত আদায় করুন। কারণ এটিই নিয়ম। কিন্তু যদি সানা না পড়েন তাহলে নামাজ হয়ে যাবে।   হাদিসের বর্ণনায় একাধিক সানা পড়ার দিকনির্দেশনা রয়েছে।   হাদিসে এসেছে-- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকবিরে তাহরিমা ও সুরা ফাতিহার মধ্যবর্তী সময়ে কিছু সময় চুপ থাকতেন। আমি একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমার বাবা-মা আপনার জন্য কুরবান হোক, আপনি তাকবিরে তাহরিমার পর নিরব থেকে কি বলেন? তিনি বললেন, যে আমি তখনি বলি-اللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اللَّهُمَّ نَقِّنِي مِنْ خَطَايَايَ كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنْ الدَّنَسِ، اللَّهُمَّ اغْسِلْنِي مِنْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ উচ্চারণ ...

নামাযের নিয়ত কিভাবে করবো?

Image
 আসসালামুআলাইকুম, প্রিয় ভাইয়েরা আপনারা জানেন নামাযের একটি প্রচলিত নিয়ত আছে, এই প্রচলিত নিয়ত হচ্ছে মানুষের বানানো নিয়ম। প্রকৃত অর্থে নামাযে নিয়তের কোন মাসয়ালা নেই। তবে নামাযে নিয়ত করতে হয় পড়তে হয়না। তাই আসুন ভাইয়েরা আমরা আমাদের প্রিয় নবী, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দেখানো নিয়মে আল্লাহর সন্তুষ্ট  অর্জন করি।

সালাফি মানহাজ'' কী?

Image
 সালাফি মানহাজ হল কোরান, সুন্নাহ এবং সালাফদের আদর্শের উপর ভিত্তি করে সঠিক ধর্মীয় ব্যাখ্যা নির্ধারণের জন্য একটি পদ্ধতি। এটি ইসলাম সম্পর্কে কিছু স্বীকৃত "সত্যের" উপর সংজ্ঞায়িত হয়েছে, যেগুলি ইসলামী নবী মুহাম্মদ দ্বারা সমর্থিত এবং খাঁটি (সহীহ) হাদিসে লিপিবদ্ধ।