নামাযে ইকামতের সহীহ হাদিস সমূহ।
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় ভাইয়েরা এবং বোনেরা, আমাদের দেশের প্রচলিত যে ইকামত এই ইকামতে থেকেও অনেক সহি হাদিস আছে যেগুলো আমরা অনুসরণ করি না,আমাদের উচিত সহিহ হাদিসের উপর আমল করা। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমরা যেন তার মতো করেই নামাজ পড়ি তিনি নামাজকে ভাগ করেননি ইসলামকে ভাগ করেননি অথচ আমরা ইসলামকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে নিয়েছি। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ তিনি ইসলামকে পরিপূর্ণ করে রেখে গেছেন। আমাদের উচিত তার দেখানো নিয়মকেই প্রাধান্য দেওয়া। আমরা নামাজের শুরুতে যেই ইকামত দিয়ে থাকি সেই ইকামত সম্পর্কে আমাদের নবী করীম সাঃ থেকে যে যে হাদিসগুলো আমরা পেয়ে থাকি সে হাদিসগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হলোঃ
৬০৫ বুখারী আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.)-কে আযানের শব্দ দু’ দু’বার এবং قَدْقَامَتِ الصَّلاَةُ ব্যতীত ইক্বামাত(ইকামত/একামত)র শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। (৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৮)
৬০৬ বুখারী. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাঁরা সালাতের সময়ের জন্য এমন কোন সংকেত নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিলেন, যার সাহায্যে সালাতের সময় উপস্থিত এ কথা বুঝা যায়। কেউ কেউ বললেন, আগুন জ্বালানো হোক, কিংবা ঘণ্টা বাজানো হোক। তখন বিলাল (রাযি.)-কে আযানের শব্দগুলো দু’ দু’বার এবং ইকামাতের শব্দগুলো বেজোড় বলার নির্দেশ দেয়া হলো। (৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৯)
সহীহ বুখারী,৬০৭. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.)-কে আযানের বাক্যগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের বাক্যগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। ইসমাঈল (রহ.) বলেন, আমি এ হাদীস আইয়ূবের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, তবে ‘কাদ্কামাতিস্ সালাতু’ ছাড়া। (৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৮০)
